Christian Schools Submit long standing grievances to Government

L to R: MLA Calvert, Bishop Malakar, Archbishop D'Souza, MP O'Brien, VicePresident Fernandes of West Bengal Minority Commission

KOLKATA, (C.M. Paul) – Over 200 heads ofChristianSchoolsin Paschimbanga gathered to seek redressal of long-standing grievances with regard to the denial of Educational Rights of the Minorities guaranteed under Art. 30 of the Constitution of India and upheld by various land mark judgments of the Supreme Court.

Archbishop Thomas D’Souza of Kolkata chaired the meeting held at Don Bosco School Park Circus, 10th September under the banner of West Bengal Association of Christian Schools (Estd 1974). Others seated at the podium included, Church of North India Bishop Brajan Malakar of Barrackpore, Rajya Sabha Member Mr. Derek O’Brien, Member of Pashimbanga Legislative Assembly Mr. Shane Michael Calvert, and Vice President of the Paschimbanga Minority Commission Prof. Maria Fernandes, Padmashri Sr. Cyril IBVM, and Principal Secretary for Education Mr. Vikram Sen.

Principal Secretary of Education, WB, Mr. Vikram Sen addressing WBACS delegates, 10 Sept 2011.

A member of WBCAS Fr K.T. Thomas tabled some of the major grievances before the assembly:

1)      Harassment and delay in granting prior permission, panel approval and approval of the appointment of staff;

2)      Denial of rights as minorities, to appoint suitable candidates of our choice in our educational institutions following Recruitment Procedures and Service Rules;

3)      Enforcing the State Reservation Rules on Christian Minority Educational Institutions, which are not followed by other minority institutions.

4)      Denial of the benefits of the “Special Rules” granted by G.O. No.641 – Edn (S)

5)      Discrimination against the Primary Teachers of our aided Christian schools who, unlike their counterparts in all other schools, invariably receive their salaries only after long delay of weeks and even months;

6)      Delay in payment of Government D.A. to our D.A. getting schools;

7)      Delay and harassment in granting Minority Status Certificates;

8)      Delay and harassment in granting N.O.C. to our schools;

9)      Discrimination in granting government recognition / aid to our schools;

10)  Undue interference with our right to set up a reasonable fee structure.

The government representatives unanimously expressed their willingness to sort out the grievances suffered under the previous governments. Mr. O’Brien who arrived from Delhito the meeting fixed up a meeting of WBACS delegation with Minister of School & Higher Education, Govt of Paschimbanga Mr. Bratya Basu for 15th September.

Mr. Sen assured the assembly that a new draft to speed up official procedure is under way.

While MLA and Vice-president of the Minority Commission pledged their full support to help redress the “torture and harassment” the Christian minority Educational Institutions suffered form the government departments.

Advertisements

3 Comments

Filed under Uncategorized

3 responses to “Christian Schools Submit long standing grievances to Government

  1. Shyamal Baran Roy

    We missed the story. No one informed me

  2. susanto joseph

    i want to know more about the minorities news.and thanks a lot for the site

  3. Jayanta Deuri

    মাননীয়
    রাষ্ট্রপতি মহাশয়া সমীপেষু,
    ভারত সরকার,

    বিষয়ঃ- ডি.এস. ই এর রিপোর্ট পেতে অহেতুক দেরী

    সবিনয় নিবেদন,
    আমি শ্রী জয়ন্ত দেউড়ি পিতা প্রয়াত শ্রী সুশীল দেউড়ি ঠিকানা ৩২/৮, বিডন স্ত্রীট, কোলকাতা ৭০০ ০০৬। আমার বাবা উত্তর কোলকাতার “দি স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুল” এর অন্যতম স্থায়ী সরকার অনুমোদিত অশিক্ষক কর্মচারী ছিলেন। তিনি গত ২২।১০।১৯৮৫ তারিখে ডিউটিরত অবস্থায় মারা যান।
    এরফলে, বাবার জায়গাতে আমাকে গত ১০।০২।১৯৮৬ তারিখে উক্তকাজে বহাল করা হয়। এরপর, গত মার্চ ১৯৯০ এ আমি স্থায়ী অশিক্ষক কর্মচারী হিসেবে পরিগণিত হই।
    গত ২৯।০১।২০১০ তারিখে তদানিন্তন সম্পাদক অধ্যাপক গৌতম দত্ত আমাকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে বরখাস্ত করেন।
    এই মিথ্যা দায়ভার নিয়ে গত ২৭।০২।২০১০ তারিখে আমি D.S.E (Director of School Education) এর কাছে নালিশ জানাই এবং তারা ১৫.০৬.২০১০ তারিখে “ Illegal Activities of School Authority” বলে আমাকে জানান কিন্তু আজ আবধি আমাকে কোনো সম্পূর্ণ অনুসন্ধিত রিপোর্ট দেন নি, যেটা আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । কারণ, বিদ্যালয় সম্পাদক যে মিথ্যা অভিযোগ আমার বিরুদ্ধে এনেছিলেন, তার বিরুদ্ধে যথেষ্ট আইনী প্রমাণ আমার কাছে আছে।
    আপনার কাছে আমার সবিনয় নিবেদন, যদি আমাকে ডি.এস.ই. এনকোয়ারী’র ’সম্পূর্ণ রিপোর্ট’ পেতে সাহায্য করেন তাহলে চিরকৃতজ্ঞ থাকবো। কারণ, এই ডি.এস.ই. আমার ও আমার পরিবারের বেঁচে থাকার একমাত্র আশার আলো। আশাকরি ২৭।০২.২০১০ তারিখে আমি ডি.এস.ই. এর নিকট যে আবেদন রেখেছিলাম তার মধ্যে আমার সম্পূর্ণ বিষয়টির উল্লেখ আছে।আশাকরি আপনি আমাকে বিমুখ করবেন না।
    প্রণামান্তে

    জয়ন্ত দেউড়ি
    দি স্কটিশ চার্চ কলেজিয়েট স্কুল (বিদ্যালয় কোয়ার্টার)
    ৩২/৮, বিডন স্ত্রীট
    কোলকাতা ৭০০ ০০৬

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s